কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বুড়িচং এর উদ্যোগে পাহাড়পুর গ্রামের বেলবাড়ি মাঠে দুই ফলসি মৌসুমি
পতিত ১১০ বিঘা জমিতে চাষকৃত সরিষা জমি পরির্দশন করেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা
ইনস্টিটিউট (বিনা) এর মহাপরিচালক ড. র্মিজা মোফাজ্জল ইসলাম এর নেতৃত্বে বিনা’র
বিজ্ঞানীবৃন্দ। পতিত জমিতে সরিষা আবাদ সম্প্রসারণের পরিকল্পনাকারী উপজেলা কৃষি অফিসার
(ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ বানিন রায় আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে সরিষার মাঠ ঘুরে দেখান। এ সময়
স্থানীয় উপসহকারি কৃষি অফিসার মো. শাহেদ হোসেন সহ সরিষা চাষী কৃষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় কৃষক ওমর ফারুক, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল হালিম এর সাথে কথা বলে জানা যায়, গত বছর
খরিফ-২ মৌসুমে রোপা আমন চাষের পর পাহাড়পুর গ্রামের বেলবাড়ি মাঠের জমি গুলো পতিত থাকবে
শুনে উপজেলা কৃষি অফিস কৃষকদের সরিষা চাষের পরার্মশ দেয়। গত বছর ৬০ হেক্টর জমিতে সরিষা
আবাদ হলেও এবছর তা বেড়ে দাড়িয়েছি ১১০ হেক্টর । র্বতমানে জমির পরিস্থিতি দেখে বিঘা প্রতি
১২-১৪ হাজার টাকা লাভের আশা করছেন কৃষকরা। তাছাড়া স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা
যায়, গেল আউশ মৌসুমে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো ৭০ বিঘা জমিতে আউশ চাষ করেন
তারা। আমন মৌসুমেও প্রচলিত ব্রি ধান৪৯ ও র্স্বণমসুরি ধানের বিপরীতে স্বল্পজীবনকালীন ব্রি
ধান৭১, ব্রি ধান৭৫ ও বিনাধান-১৭ ধানের আবাদ করা হয়। আর র্বতমান সরিষা মৌসুমে নতুন জাত
হিসাবে বিনাসরিষা-৯, বিনাসরিষা-৪ ও বারি সরিষা-১৮ এর বীজ বিতরণ করে কৃষি বিভাগ।
পরির্দশনকালে ড. র্মিজা মোফাজ্জল ইসলাম তিল চাষী কৃষকদের সাথে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন
ও সরিষা চাষের সম্ভাবনার কথা কৃষকদের সামনে তুলে ধরেন। তাছাড়া তিনি সরিষা চাষের কিছু
ব্যবস্থাপনা, বীজ সংগ্রহ ও বীজের সংরক্ষণ বিষয়ে কৃষকদের পরার্মশ প্রদান করেন। তিনি সহ
সকলেই পাহাড়পুড় গ্রামের মৌসুমি পতিত জমিতে সরিষা চাষের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন ও কৃষি
সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে ধন্যবাদ জানান।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ বানিন রায় বলেন, গুণী ব্যাক্তিত্ব ও
স্বনামধন্য বিজ্ঞানী ড. র্মিজা মোফাজ্জল ইসলাম সহ বিনা’র বিজ্ঞানীবৃন্দের পতিত জমিতে সরিষা
জমি পরির্দশন কৃষকদের জন্য অনেক আনন্দের ও উ সাহের। পাহাড়পুরের বির্স্তীণ জমিতে বোরো পতিত-রোপা আমন শস্যবিন্যাস এর পরির্বতে সরিষা-তিল-রোপা আউশ-রোপা আমন ও সরিষা-আউশ-
রোপা আমন শস্যবিন্যাস বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আগামী মৌসুম গুলোতে নতুন নতুন জাত নিয়ে তিল,
আউশ ও রোপা আমন আবাদে কৃষক র্অথনৈতিকভাবে উপকৃত হবেন এবং পাশাপাশি দেশেরও উপাদন বৃদ্ধি পাবে।
Copyright © 2026 Daily Frontier News | Design & Developed By: ZamZam Graphics