Daily Frontier News
Daily Frontier News

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরের প্রধান সড়কের সাথে সংযুক্ত হওয়া সকল ইউনিয়নের সংযোগ সড়কের বেহাল দশা।

মাসুম মির্জা নবীনগর ব্রাহ্মণবাড়িয়া 

 

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, নবীনগরের প্রধান সড়ক নবীনগর টু কোম্পানিগঞ্জ সড়ক, এর সাথে উপজেলার সকল ইউনিয়নে যাতায়াতের জন্য রয়েছে সংযোগ সড়ক। এগুলো হল নবীনগর পৌরসভার করিম শাহ – মনতলি খেয়াঘাট পার হয়ে সীতারামপুর- কৃষ্ণনগর সড়ক যাহা জেলা সদরের সাথে যোগাযোগ সড়ক, আলীয়াবাদ বাসস্ট্যান্ড টু শিবপুর সড়ক যাহা পূর্বাঞ্চলে কাইতলা উত্তর দক্ষিণ,বিটঘর,শিবপুর ইউনিয়নের সাথে যোগাযোগ সড়ক,তিতাস নদীতে ব্রিজ না থাকায় নবীনগর পূর্ব ও বিদ্যাকুট ইউনিয়ন এর সাথে যোগাযোগের জন্য নেই তেমন কোন ভাল সড়ক, নদী মাতৃক এলাকা হওয়ায় নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের সড়কগুলোর এক চিত্র। এছাড়া আলীয়াবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের গোপালপুর ও পৌর এলাকার কোনাঘাট মোড় হয়ে শ্রীরামপুর ইউনিয়নে সংযোগ সড়কের বেহাল দশা ভয়ংকর যাহাতে প্রতিনিয়ত ঘটে দূর্ঘটনা। পৌর এলাকার সোহাতার মোড় থেকে রছুল্লাবাদ ইউনিয়নে সংযোগ সড়ক ও রছুল্লাবাদ ইউনিয়ন এর উত্তর দাররা থেকে রতনপুর ইউনিয়নের সংযোগ সড়কের লাগিনি উন্নয়নের ছোঁয়া। আরো বেশি বেহাল দশা শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের শ্রীরঘর থেকে সলিমগঞ্জ ও বড়িকান্দি ইউনিয়নের সংযোগ সড়কে বগাহানি ও তালতলা থেকে সলিমগঞ্জ বাজারে সড়ক। এমনকি জিনদপুর ইউনিয়নের জিনদপুর বাজারের শেষ প্রান্ত থেকে সাতমোড়া ইউনিয়নে প্রবেশের সড়কটি এতটাই বেহাল অবস্থা সাধারণ যাত্রীরা উপজেলা সদরে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হতে সাহস করে না।শুধু মাত্র নবীনগর টু কোম্পানিগঞ্জ প্রধান সড়কের সাথে সংযোগ সড়কের মধ্যে লাউরফতেহপুর ইউনিয়নে যাতায়াত ব্যবস্থা মোটামুটি রয়েছে।

প্রধান সড়কের থেকে নিজ নিজ ইউনিয়নের সাথে যাতায়াতের সংযোগ সড়কের বেহাল দশা সর্ম্পকে শ্রীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী জাকি উদ্দিন এর মুঠোফোন নম্বর বন্ধ থাকায় বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করে যোগাযোগ করা যায়নি এবং সাতমোড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ জসিম উদ্দিন এর মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করে পাওয়া যায়নি।

কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আশরাফি জানান,আমি জনপ্রতিনিধি হওয়ায় সাধারণ মানুষ তাদের চলাচলের অসুবিধা জন্য আমার নিকট আসে,আমিও যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে বারবার যোগাযোগ করে জানতে পারি সীতারামপুর টু কৃষ্ণনগর রাস্তার কাজের টেন্ডার হয়েছে কিন্তু জিনিস পত্রের মূল্য বৃদ্ধির কারণে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।আর এটি সওজের কাজ, আমার পরিষদে এত বড় বরাদ্দের কাজ করতে অক্ষম।

শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম আর মজিব জানান,নবীনগর রাধিকা একটি মেগা প্রকল্পের কাজ হওয়ায় রাস্তার জায়গা অধিগ্রহণের টাকা গ্রাহক বুজে পায়নি তাই এতদিন এই রাস্তাটির কাজ সম্পন্ন হয়নি,আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জেনেছি অধিগ্রহণের টাকা এসে পৌঁছেছে আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই রাস্তার কাজ সম্পন্ন হবে।

উপজেলার প্রধান সড়কের সাথে সংযুক্ত হওয়া সংযোগ সড়কগুলোর বেহাল দশা কবে নাগাত কাটবে জানতে স্থানীয় সরকারের নবীনগর উপজেলা প্রকৌশলী ইশতিয়াক আহমেদ কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান,আমরা সকল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের নিকট থেকে সে-সকল সড়কের তালিকা নিয়ে ঊর্ধ্বতন অফিসে পাঠিয়েছি এই অর্থ বছরে এগুলো সংস্কার সম্ভব নয়।ঊর্ধ্বতন অফিস এগুলো অনুমোদন করলে আগামী অর্থ বছরে সংস্কার করা সম্ভব হবে।

Daily Frontier News