Daily Frontier News
Daily Frontier News

নবীনগরে পুলিশের উপস্থিতিতে বসতঘর জবর-দখল উপরের চাপ আছে মামলা নিতে পারব না- ওসি

মাসুম মির্জা নবীনগর ব্রাক্ষণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ-

.    জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামে বসতভিটি নিয়ে বিরোধীদের জের ধরে প্রতিপক্ষ পুলিশের উপস্থিতিতে বসতঘর জবরদখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলা করতে গেলে থানার অফিসার ইনর্চাজ কোর্টে মামলা করেন, উপরের চাপ আছে মামলা নিতে পারব না বলে, তাড়িয়ে দেয়। গতকাল শনিবার (০৬/০৪)স্থানীয় ডাক বাংলো প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের মৃত মোতাহার মিয়ার মেয়ে ইয়াছমিন আক্তার। ইয়াছমিন আক্তার গৃহ পরিচালিকার কাজ করেন ।
সুত্র জানায়,ইব্রাহিম পুর মৌজার ৬১৩৩ দাগের ১৫ শতক বসতভিটি নিয়ে ইয়াছমিন আক্তার ও তার মামাতো ভাই বাবুল মিয়া গংদের মধ্যে পারিবারিক পূর্ব বিরোধ রয়েছে। এই নিয়ে বিএসসি খতিয়ান সংশোধনের জন্য ২০২৩ সালে দেওয়াানী আদালতে মামলা করেন ইয়াছমিন আক্তার। মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষ বাবুল মিয়া ও তার লোকজন গত ২৭ মার্চ হামলা চালিয়ে মারধর করে দুটি বসত ঘর সম্পূর্ণ ভেঙ্গে চুরমার করে উল্টো থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে ইয়ামিন ও তার ভাই বিল্লালকে জেলে পাঠায়। এই ঘটনায় ইয়াছমিন জামিনে বেরিয়ে এসে আহত স্বামী রহিম মিয়ার চিকিৎসায় ব্যস্তথাকা অবস্থায় গত ২৯ শে মার্চ বাবুল মিয়া ও তার লোকজনরা পুনরায় ভাঙচুরকৃত বাড়িতে খোলা আকাশের নিচে বসবাসরত ইয়াছমিনের পরিবারকে মারধর করে বের করে পুলিশের উপস্থিতিতে ঘর নির্মাণ করে জবরদখল নেয়। থানায় মামলা করতে গেলে থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুব আলম ‘থানায় মামলা করা যাবে না,উপর মহলের নির্দেশ আছে,আপনি প্রয়োজন হলে কোর্টে মামলা করতে পারেন বলে তাড়িয়ে দেয়। পরে ইয়াছমিন গত ৩১ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন (দ্রæত বিচার আইন) আইনে ২৯ জন এবং পেনালকোড সি,আর মামলায় ৭জনকে আসামী করে দুইটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলা দায়েরের পর থেকে প্রতিপক্ষ বাবুল মিয়ারা মামলা প্রত্যাহার করার জন্য ইয়াছমিনকে ভয়ভীতি ও প্রান নাশের হুমকি দিচ্ছ। ইয়াছমিন ও তার পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে উর্ধতন কর্মকর্তা বসতভিটি উদ্বারের ন্যায় বিচার প্রার্থনা জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে প্রতিপক্ষ বাবুল মিয়া বলেন, বিএস মূলে ও ক্রয়সুত্রে আমি উক্ত সম্পত্তি মালিক,আমি আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তির উপর ঘর তুলেছি।
এ ঘটনায় থানায় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী আবদুল মান্নান মিয়া’র ছেলে নজরুল ইসলাম বলেন, আমি সেই সময় উপস্থিত ছিলাম ওসি মহোদয় বলেছেন,মামলা নেয়া যাবে না ,উপর মহলের চাপ আছে,আপনারা কোর্টে মামলা করেন।
এ ব্যাপারে নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুব আলম তার উপর আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,বাদিনী আমার কাছে আসেই নাই,আমি এ ধরনের কোন বক্তব্য দেই নাই, পুলিশের উপস্থিতিতে ঘর নির্মাণ এটা সঠিক নয়।

Daily Frontier News