মাসুম মির্জা নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি
. জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়নের মেঘনা নদীর কেদেরখোলা বালুমহালের নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। কেদেরখোলা বালুমহালের আয়তন ২০ একর। শিবপুর, দাসকান্দি, নজরদৌলত (গাছতলা), ছয়গরহাটি, কেদেরখোলা গ্রামের সামনে দিয়ে ১০০ থেকে ১২০ একর জায়গাজুড়ে ৮০-৯০ ফুট গভীর করে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। প্রতিদিন দিনরাত সমানতালে বালু তোলা হচ্ছে।
২০-২৫টি খননযন্ত্র দিয়ে ১৫ থেকে ২০ লাখ ঘনফুট বালু তোলা হচ্ছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা প্রতি ঘনফুট বালু সাড়ে তিন টাকা হারে বিক্রি করে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৪৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে বীরগাঁওয়ের বাইশমোজা বাজারের লঞ্চঘাট থেকে কেদেরখোলা পর্যন্ত বিস্তৃত শিবপুর, দাসকান্দি, নজরদৌলত, ছয়ঘরহাটি হয়ে কেদেরখোলা পর্যন্ত গ্রামগুলোর শত শত একর ফসলি জমি ও কয়েক হাজার মানুষের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
ইজারার শর্ত অনুযায়ী, সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ১০ টি খননযন্ত্র দিয়ে বালু তোলার কথা। কিন্তু সে নিয়ম না মেনে দিন-রাত সমানতালে ১৫ থেকে ২০টি খননযন্ত্র দিয়ে বালু তোলা হচ্ছে।
অনিয়ন্ত্রিত বালু উত্তোলনের ফলে নদীতীরবর্তী ফসলি জমির ক্ষতিসহ কয়েকটি গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে। উপজেলা কাছে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিয়ে কোন কাজ হচ্ছে না।
এলাকার বাসিন্দারা বলছে প্রতিদিন আমরা উপজেলা প্রশাসনকে জানাচ্ছি আমাদের বাড়ির কাছে এসে তারা বালু উত্তোলন করছে। তাদের আরও অভিযোগ ম্যাজিস্ট্রেট স্যার আসার সময় স্পিডবোট ঘাট থেকে ইজারাদারদেরকে খবর দেওয়া হয় যার ফলে তখন বালু উত্তোলনকারী পালিয়ে যাই।
Copyright © 2025 Daily Frontier News | Design & Developed By: ZamZam Graphics