দিনাজপুর প্রতিনিতিঃ-
ঢাকা কাকরাইল মসজিদ থেকে ১৯ অক্টোবর এসএসসি ছাত্র জামাত ৪০ দিনের চিল্লায় দিনাজপুর মার্কাজে আসে। দিনাজপুর মার্কাজ মসজিদ থেকে ১২দিনের জন্য শংকরপুর ইউনিয়ন বাজার মসজিদে পাঠানো হয়! জামাত পৌছা মাএ জুবায়ের গ্রুপের শাহাদাত হোসেন সহ দুই জন জামাতের আমির সাহেব কে প্রশ্ন করে আপনি কোন জায়গায় থেকে জামাত নিয়ে এসেছেন ? জামাতের আমির সাহেব বলেন- আমরা কাকরাইল মসজিদ থেকে এসেছি!
দিনাজপুর কোন মার্কাজে থেকে এখানে পাঠালো? জামাতের আমির সাহেব বলেন মুলধারার তাবলীগ মার্কাজ (এতায়াতের মার্কাজ) থেকে শাহাদাত হোসেন বলেন এই শংকরপুর ইউনিয়নে এতায়াতের জামাত নিয়ে কেন আসলেন?
“শাহাদাত হোসেন বলেন আপনি আমাদের মার্কাজের শুরা সদস্য হাজী লতিফুর এর সাথে কথা বলেন শাহাদাত হোসেন হাজী লতিফুরের সাথে মোবাইল ফোন ধরিয়ে জামাতের আমির সাহেবকে দেন লতিফুর আমির সাহেবকে বলেন? বেটা তুমি এতায়াতের জামাত নিয়ে কেন দিনাজপুরে এসেছো আমির সাহেব এর কোন কথা না শুনে সে একতরফা কথা বলে যাচ্ছে এবং অকট্য ভাষায় গালিগালাজ করে ফোন রেখেদেয়।
আমির সাহেব মোবাইল ফোনে মারকাজের মুরুব্বীদেরকে বিষয়টি অবগত করেন।
দিনাজপুর মূলধারার শুরা সদস্য হাজি মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দশ জন জিম্মাদারদের একটি জামাত শংকরপুরে যায়! বিষয়টি নিয়ে এলাকার মুসল্লীদের সাথে আলোচনা করেন! মসজিদ কমিটি আলতাফ হোসেন সিদ্ধান্তদেন এই মসজিদে জামাত থাকবে!শংকরপুর মসজিদে তিন দিন অবস্থান করে! সোনাহার পাড়া জামে মসজিদে যায় সেখানে যাওয়ায় তাবলীগ বিদ্বেষী জুবায়ের গ্রুপের শাহাদাত হোসেন ও ইসমাইল হোসেন জামাতের আমির সাহেব জুনায়েদ সিদ্দিকীকে পাঁচখুর বাজারে আকট করে বলে শংকরপুর ইউনিয়ন থেকে জামাত নিয়ে চলে যাচ্ছেনা কেন?!
জামাতের আমির সাহেব মোঃ জুনায়েদ সিদ্দিকী সাহেব বলেন কাকরাইল মার্কাজে আমরা মুলধারার সাথীরা যদি ১৫দিন অবস্থান করে বাহির হলে জুবায়ের গ্রুপ প্রবেশ করতে পারে!বিশ্ব ইজতেমার মাঠে দুই গ্রুপের আলাদা ইজতেমা হতে পারে! তাহলে আমাদের জামাত কেন এই ইউনিয়নে চলতে পারবে না??, ইউনিয়ন থেকে জামাত চলে গেলে সমাধান হবে না!আমার জামাত গেলে আরেক জামাত আসবে তাদেরকে বাহির করার চেষ্টা করবেন এই রকম করতে থাকলে মুসল্লীরা উভয় পক্ষকে নিয়ে সমালোচনা করবে! আসুন উভয় পক্ষ আলোচনায় বসি বসলে সমাধান হবে ইনশাআল্লাহ ।
আমির সাহেব এর কথায় কর্ণপাত না করে, শাহাদাত হোসেন ও মুফতী তৈয়বুর এর এর নেতৃত্বে সোনাহার পাড়া মসজিদ থেকে জামাত বাহির করার জন্য মসজিদ কমিটি ও গ্রাম পঞ্চায়েত মুরব্বিদের কাছে বলে এটা সাদ গ্রুপের জামাত আপনাদের মসজিদ থেকে বাহির করেদেন ! আমাদের ইউনিয়নে পঞ্চায়েত মুরুব্বী ও মসজিদের সভাপতি বলেন মসজিদ আল্লাহ ঘর উনারা আল্লাহ ঘরের মেহমান।
কেন আমরা উনাদেরকে বাহির করবো। উনারাতো আল্লাহ “আল্লাহর রাসূলের কথা বলেন। এই মসজিদে উনারা তিন দিন থাকবে এই জামাত চলে যাওয়ার পর আপনারাও জামাত নিয়ে আসেন আপায়োন করবো। সোনাহার পাড়া গ্রামের মুফতি আঃমোতালেব সৈয়দপুর একটি মাদ্রাসায় চাকরি করেন তাকে মুফতি তৈয়বুর মোবাইল করে সোনাহার পাড়া নিয়ে আসে! মুফতি তৈয়বুর মুফতি আঃ মোতালেবকে বলে তোমার বাড়ির মসজিদে এতায়াতের জামাত কি ভাবে ঢুকলো তাদেরকে বাহির করে দাও। ২৭অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে মুফতি আঃমোতালেব জামাতের জিম্মাদার জুনায়েদ সিদ্দিক সাহেবকে বলেন মুফতি তৈয়বুর হুজুরের নির্দেশ জামাত নিয়ে এই ইউনিয়ন থেকে চলে যাবেন ।
এইভাবে সকাল দুপুর রাতে এসে বলে আপনি জামাত নিয়ে চলে যান মুফতি আব্দুল মোত্তালেব ব্যর্থ হলে! বৃহস্পতিবার এশার নামাজের আগ মুহূর্তে ইসমাইল হোসেন এর নেতৃত্বে আট দশ লোক মোটরসাইকেলে আসে এসে জামাতের আমির সাহেব জুনায়দ সিদ্দিকীকে হুমকি ধামকি দিয়ে বলে কালকে সকালে জামাত নিয়ে এই শংকরপুর ইউনিয়ন ছেড়ে চলে যাবেন।
এই কথা বললে স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় মুসল্লীদের তোপের মুখে পড়ে মোটরসাইকেল নিয়ে চলে যায়। এশার নামাজের পর মুসল্লীরা বসে সিদ্ধান্ত দেন জামাত তিন দিন ছিল আরও তিন থাকবে! পঞ্চায়েত মুরুব্বী মতিউর রহমান মার্কাজের মুরব্বিদের ফোন করে নিয়ে আসেন।
মারকাজের শুরা সদস্য হাজী মকবুল হোসেন এর নেতৃত্বে পনের জনের এক জামাত আসে, এসে পঞ্চায়েতে সাথে দীর্ঘ সময় আলোচনায় করে। পঞ্চায়েত মুরুব্বী মতিউর রহমান সিদ্ধান্ত দেন তাদের হুমকি ধামকিতে জামাত কেন চলে যাবে!এই মসজিদে জামাত তিন দিন ছিল আরও তিন দিন থাকবে! এই ইউনিয়নে থাকবে।
জামাতের সাথীদের সাথে কেউ যদি বেয়াদবি করে তাদেরকে বেধে রাখা হবে বলে সিদ্ধান্ত দেন।
পরের দিন শাহাদাত হোসেন এসে জামাতের আমির সাহেব এর কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেন হুজুর আপনারা এই ইউনিয়নের যে কোন মসজিদে যেতে পারেন।
Copyright © 2026 Daily Frontier News | Design & Developed By: ZamZam Graphics