Daily Frontier News
Daily Frontier News

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের নিকট সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী সোহেনা বেগম

 

মোঃ শাহিন চৌধুরী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

.       জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া উপজেলা ছোট কুড়ি পাইকা গ্রামের,রিপন মিয়ার স্ত্রী, (ভূক্তভুগি)সোহেনা বেগম ২২ই মার্চ ২০২৩ইং, পুলিশ সুপার ব্রাহ্মণবাড়িয়া কাছে সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ।

.     সূত্রে জানা যায়, আখাউড়া থানা মামলার নং ১৮,জি.আর ৭৫/২৩. ২১শে মার্চ ২০২৩ইং, ধারা-১৪৩/৩৪১/৩৬৫/৩৮৬  / ৩২৩/৫০৬. পেনাল কোড। এজাহার নামীয় রিপন ভুইয়া, পিতা-হারুন ভূঁইয়া,সোহেনা বেগম এর স্বামী হয়। সোহেনা’র বড়বোন ফরিদা বেগম তাহার স্বামী আমজাদ আলী’র অত্যাচার নির্যাতন ও পরকীয়ার কারণে সোহেনা’র বড় বোন(আমজাদ আলী)তার স্বামীর বাড়িতে বিষপানে আত্মহত্যা করে। আত্মহত্যার পর সোহেনা’র বড় ভাই জাহের মিয়া বাদী হয়ে,সোহেনা’র ভগ্নিপতির বিরুদ্ধে পি-১০৩/২२ মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।

.     সোহেনা’র ছোট ভাই রুবেল মিয়া সূত্রে উক্ত মামলার ২নং আসামী জেল হাজতে গেলে তাহার স্ত্রী সাকিনা আক্তরকে প্রলোভন দিয়া অত্র মামলার বাদীর বাড়িতে আনিয়া জোড় পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে সাকিনা আক্তার বাদী হইয়া আমজাদ আলীর বিরুদ্ধে বিজ্ঞ নারী ও শিশু ট্রাইবুনালে পি ৯১/২২ দায়ের করেন। মামলা টি পি.বি আই কর্তৃক তদন্ত পূর্বক ঘটনার সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করিলে,বিজ্ঞ আদালত প্রতিবেদন আমলে নিয়া আমজাদ আলীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করলে, আমজাদ আলী দীর্ঘ ৮ মাস জেল হাজত ভোগ করে।

.        আমজাদ আলী জামিনে বের হয়ে,সোহেনা’র স্বামী রিপন ভূইয়া( সোহেনা’র বোন হত্যা মামলার স্বাক্ষী) অত্র মামলার ২নং আসামী রুবেল মিয়া ধর্ষণ মামলার(বাদীর স্বামী ও হত্যা মামলার স্বাক্ষী) ৩নং আসামী
(জাহের মিয়া হত্যা মামলার বাদী) বাদীদের বিরুদ্ধে কাল্পনিক ঘটনার অবতারণা করিয়া,বর্ণিত ধর্ষণ ও হত্যা মামলা হইতে,রেহাই পাওয়ার লক্ষে সূত্র উক্ত মিথ্যা মামলাটি দায়ের করেন।

.      এই মামলার ঘটনার তারিখ ও সময়ে সোহেনা’র স্বামী, কালু মেম্বারের ৪নং ওয়ার্ড (বর্তমান মেম্বার) সাথে পারিবারিক বিষয় নিয়া কথা বলছিলেন। ২নং আসামী রুবেল মিয়া ঘটনার তারিখ ও সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভাদুঘর বড় মসজিদের পাশে ভাড়া বাসায় ছিল। ৩ নং আসামি জাহের মিয়া ঘটনার সময়,নিজ বাড়ি ছগড়িয়ায় ছিল। যাহা ঘটনাস্থল হইতে ৬ কি.মি দূরে ছিল। যাহা সোহেনা’র স্বামী সহ অন্যান্য আসামীদের মোবাইল ফোনের সি,ডি,আর পর্যালোচনা সহ সরজমিনে তদন্ত(ঘটনার আসল রহস্য)করিলে সত্যতা পাওয়া যাইবে।

.       বর্ণিত মামলার বাদী আমজাদ আলী একজন পুলিশের সোর্স। বিভিন্ন কালোবাজারিদের সাথে তার সখ্যতা। সে ধর্ষণ ও হত্যা মামলা হইতে রেহাই পাওয়ার কৌশল হিসেবে সম্পূর্ণ কাল্পনিক ঘটনার অবতারণা করিয়া এই মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।

.       সবিনয় বিনীত প্রার্থনায় উল্লেখিত বিষয়াদী সরজমিনে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ সুপার ব্রাহ্মণবাড়িয়া বরাবরে আরজ জানিয়েছেন সোহেনা বেগম ।

.       এ বিষয়ে পুলিশ সুপার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জনাব মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, ফ্রন্টিয়ার.নিউজ প্রতিনিধিকে বলেন,বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে, সঠিক তদন্তপূর্বক অপরাধীদের বিরুদ্ধে, যথার্থ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

Daily Frontier News