বিশেষ প্রতিনিধি।।
পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামায় ফাইতং ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড সুতাবাদী-আমতলী পাড়া এলাকায় মো. নুরুল আবছার ও মনোয়ারা আক্তার কন্যা ইসরাত জাহান মীম’কে (১২) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে (১৮লা মার্চ) শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আমতলী পাড়া দোকান এই ঘটনা ঘটায়। এই ঘটনায় শিশু কন্যা মা বাদী হয়ে লামা থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছে।
ধর্ষক মো.দিদারুল আলম (৪০) ফাইতং ৪নং ওয়ার্ডের খেদারবান এলাকার মৃত মাহবুবুল আলম ফকির ছেলে তিনি একজন টমটম চালক। বাদী জরুরী সেবা ৯৯৯ এর ফোন করিলে ফাইতং পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শামিম শেখ নেতৃত্বে বিষয়টি জানার পরপরই পুলিশের টিম অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেফতার মাঠে নামে। ঘটনার ৪ঘন্টা না পেরুতে ফাঁড়ি পুলিশের এএস আই মাসুদ রানা অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ধর্ষককে ভাঙ্গাব্রীজ এলাকা থেকে আটক করে লামা থানায় নিয়ে আসে।
এজাহার সুত্রে জানাযায়, বাদীর বাড়ি সংলগ্ন একটি মুদির দোকান আছে। বাদীর দোকান প্রয়োজনে সকাল সাড়ে ৯টায় ভিকটিম মেয়ে’কে তার সংগীয় জান্নাতুল ফেরদৌস (০৬) সহ দোকানে বসাইয়া আমি ভাঙ্গা ব্রিজ নামক জায়গায় যায়। বেলা ১১টায় আমার ভাইয়ের স্ত্রী মাহামুদা বেগম আমাকে ফোন করে জানায় যে, আমার মেয়ে ভিকটিম’কে দোকানে একা পেয়ে বিবাদী দিদারুল আলম জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করিয়েছে। উক্ত সংবাদ শুনিয়া আমি ঘটনাস্থলে পুঁছিয়া আমার মেয়ে’কে জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় যে, বেলা সাড়ে ১০টায় বিবাদী বলে যে, তুমি মনোয়ারা মেয়ে না? তোমার মাকে আমাকে দিয়ে দিবা, তুমি আমাকে বাবা ডাকবা। তোমাকে আমার অনেক আদর লাগে। এই বলে বিবাদী আমার মেয়ে ভিকটিম এর হাত ধরে টেনে কোলের উপর বসায় এবং বুকে হাত দিয়ে চাপাচাপি করে। আমার মেয়ে তাহাকে ছাড়ার জন্য বলিলে বিবাদী জোর করে চাপিয়া ধরে টানা হেচঁড়া করিয়া গায়ের জামা ছিড়িয়া ফেলে এক পর্যায়ে আমার মেয়ের গোপন অংঙ্গে হাত দিয়া ধর্ষণের উদ্দেশ্যে চাপতে থাকে।
আমার মেয়ে কান্নাকাটি করিতে থাকিলে এবং স্থানীয় লোকজন আসতে দেখে বিবাদী ভিকটিম’কে ছেড়ে টমটম দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। আমি আমার মেয়ে মুখে উক্ত ঘটনা শুনে জরুরী সেবা ৯৯৯ এর ফোন করিলে ফাইতং পুলিশ ফাঁড়ি হইতে পুলিশ আসিয়া আমার মেয়েকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয় এবং অভিযান পরিচালনা করিয়া বিবাদী’কে আটক করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফাইতং পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শামীম শেখ জানান, আসামীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজুর প্রক্রিয়াধীন আসামী থানা হেফাজতে নেন। (১৯ মার্চ) রবিবার আসামীকে আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করে।
Copyright © 2026 Daily Frontier News | Design & Developed By: ZamZam Graphics