Daily Frontier News
Daily Frontier News

নরসিংদী উপজেলা মোড়ে সাংবাদিকদের অফিসে লুটপাট ও চুরির অভিযোগে মনিরের বিরুদ্ধে

 

 

ক্রাইম রিপোর্টার:-

 

জেলা নরসিংদী  বৃহস্পতিবার ২০ শে অক্টোবর নরসিংদী সদর উপজেলা মোড় হাজী গফুর মার্কেটের সাংবাদিকের অফিসে লুটপাট ও চুরির ঘটনা ঘটে। সূত্রে জানা যায় সাংবাদিক আব্দুস সাত্তার মিয়া দৈনিক লাল-সবুজের দেশ ও পাক্ষিক অপরাধ জগতে পত্রিকায় দীর্ঘদিন যাবত সাংবাদিকতা করে আসছে তিনি হাজি গফুর মার্কেটে গত: ১ পহেলা ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ইং তারিখে মার্কেট মালিক ২ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সেক্রেটারি নরসিংদী পৌরসভা মনির হোসেনের নিকট হতে ১০ দশ হাজার টাকা অগ্রিম জামানত দিয়ে মাসিক ২০০০ হাজার টাকা মাসিক ভাড়ায় একটি অফিস ঘর ভাড়া নিন এতে দীর্ঘদিন যাবত অফিসটি পরিচালনা করে আসছেন সাংবাদিক আব্দুস সাত্তার মিয়া এবং অফিসের ভিতরে উনার দুইজন অপারেটর কম্পিউটারে নিউজ এডিট করতো এবং তারা রাত্রি যাপন করতেন অফিসে কিন্তু হঠাৎ করে মার্কেট মালিক মনির হোসেন সাংবাদিক ভাইকে বলেন আজকে বিকাল পাঁচটার ভিতরে আপনাকে ৫০ হাজার টাকা এডভান্স দিতে হবে আমাকে না দিতে পারলে আপনি অফিসটি ছেড়ে দিবেন তখন এই বিষয়টি মার্কেটের অফিসের অন্যান্য লোকজনকে তিনি জানান এবং এই মার্কেটের সিনিয়র উকিলদের এ বিষয়ে অবগত করা হয় এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ কে জানিয়ে তেমন কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে ভাড়াটিয়ায় আমাদের প্রতিবেদক কে জানান। তারপরের দিন ভাড়াটিয়া অফিসে আসলে মার্কেট মালিক মনির হোসেন বাধা প্রদান করে যে আপনি এই অফিসে আসতে পারবেন না জিজ্ঞাসা করলে তিনি দুর্ব্যবহার করেন। আর অফিসে দুইজন কম্পিউটার অপারেটর একজন মেহেদী হাসান ও অন্যজন আক্তার হোসেন এদেরকে ভিতরে ঢুকতে না দেওয়ায় নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ফোনে জানানো হলে তিনি মালিক কে ফোন দিয়ে তাদের দুইজনকে অফিসে থাকতে দেয়। পরের দিন এদের সাথে দুর্ব্যবহার করে এবং তাদেরকে অফিসের ভিতরে ঢুকার বাধা দেয় ও গালিগালাজ করে এবং তাদের কাপড় চোপড় বাইরে রশিতে শুকানোর জন্য টানানো ছিল সে কাপড়-চোপড় এবং প্যান্টের মাঝে কিছু টাকাসহ অফিসের সামনে হতে মনির চুরি করে নিয়ে যায় এবং অফিসের সামনে থাকা পাকের ঘরটি ভেঙ্গে ফেলে তখন ওরা নিরুপায় হয়ে পড়ে এমনকি বিদ্যুতের সংযোগ ইন্টারনেট সংযোগ সে কেটে ফেলে এবং অফিসের মূল ফটকের সামনে পচা ফ্লাইওড কাড, বাশ ও ইটপাটকেল ফেলে দরজা বন্ধ করে দেয় এতে করে ভাড়াটিয়ার কাছে দরজার তালা চাবি থাকা সত্ত্বেও অফিসের বিরুদ্ধে ঢুকতে পারেনা এবং দরজার নিচে ইট ভেঙ্গে ছিদ্র করে বৃষ্টির পানি রুমের ভিতরে ঢুকিয়ে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের চেয়ার, টেবিল এবং দামি দামি আসবাবপত্র সহ কম্পিউটার ও ল্যাপটপের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও দশটি ব্যানার ভিতরে থাকা সবগুলিতে প্রায় দেড় ফুট পানি অফিসে ঢুকে মালামাল নষ্ট হয়ে যায়।পরের দিন মার্কেটের অন্যান্য লোকদেরকে জানিয়ে পতিকার না পেয়ে অফিসের দুইজন কম্পিউটার অপারেটর এই বিষয়টা অফিস রুমের ভাড়াটিয়া ভাইকে জানালে তিনি তাদেরকে নিয়ে নরসিংদী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন মার্কেট মালিক মনির হোসেন এর বিরুদ্ধে। তারপর এ অভিযোগের তদন্ত করেন নরসিংদী মডেল থানার এসআই মনির হোসেন তিনি তদন্তে এসে ঘটনাস্থলে এর সততা পান এবং মনির হোসেন কে রাত্রে নরসিংদী মডেল থানায় ডাকেন পাশাপাশি ভাড়াটিয়া সাংবাদিক আব্দুস সাত্তার মিয়াকে ও রাত্রে থানায় আসতে বলে তারপর থানায় এসআই মনির হোসেন ও দুইজন সাংবাদিকের সামনে বিষয়টা নিয়ে বসে সব বিষয় নিয়ে আলাপ আলোচনা করে মার্কেট মালিক মনির হোসেন কে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ হাজার টাকা অ্যাডভান্সের ফেরত দিতে বললে তিনি তাৎক্ষণিক পাঁচ হাজার টাকা ফেরত দেন এবং বাকি পাঁচ হাজার টাকা ভাড়াটিয়া আব্দুস সাত্তার মিয়াকে পরের দিন দিয়ে দিবেন। এসআই মনির হোসেন মালামালের ক্ষতিপূরণ উনি দেখে এর বিচার করবে বলে জানান। এবং পরের দিন iএস আই মনির হোসেন পরের দিন বিকেলে নরসিংদী উপজেলা মোর হাজি গফুর মার্কেটে ভিতরে ভাড়াটিয়া সাংবাদিক আব্দুস সাত্তার মিয়া র অফিসে এসে মালামাল নষ্ট হয়েছে স্বচক্ষে দেখে যায় এবং ছবি তুলে নিয়ে আসে এই পর্যন্ত এক বছর হয়ে গেলেও এর কোন বিচার পাচ্ছে না অফিস ঘর ভাড়া নেওয়া সাংবাদিক আব্দুস সাত্তার মিয়া। এই প্রতিবেদক সাংবাদিক আব্দুর সাত্তার মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন অতিশয় দুঃখের বিষয় নরসিংদী মডেল থানায় এই সংক্রান্ত বিষয়ে গত: এক বছর আগে আমি একটি লিখিত অভিযোগ করলেও এখনো পর্যন্ত এর সঠিক বিচার পাইনি আর আজ ২০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল বেলায় আমার অফিস তালাবদ্ধ অবস্থায় অফিসের ভিতরের মূল্যবান জিনিসপত্র আসবাবপত্র মার্কেট মালিক মনির হোসেন লুটপাট ও চুরি করে নিয়ে যায় এবং কিছু মালামাল অফিসের সামনে ফেলে রেখে দেয় এই বিষয়টা মার্কেটের অন্যান্য দোকানদার ও অফিসের লোকজন দেখতে পেয়ে আমাকে ফোনে জানান তারপর আমি এসে স্বচক্ষে বিষয়টা দেখে নরসিংদী মডেল থানায় ওসি সাহেব এবং এসআই মনির হোসেন কে একাধিকবার ফোন দেই ফোন রিসিভ না করলে আমি পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ ত্রিপল নাইনে ফোন দেই তারপর আমাকে থানার ডিউটি অফিসার এসআই আদনান এর মোবাইল নাম্বার দিলে আমি উনাকে ফোনে এই বিষয়টা জানাই তিনি আমাকে মার্কেটে থাকতে বললেন আজ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় তিনি মার্কেটে আসেন এবং আমার অফিস ঘরটি ভাঙচুর অবস্থায় দেখতে পায় এবং আমার মালামাল কিছু বাহিরে পড়ে আছে এবং আশেপাশের লোকজনকে তিনি জিজ্ঞাসা করলে যে অফিসটি কখন ভাঙ্গা হয়েছে লোকজন বলেন আজকে সকাল বেলায়। তখন ডিউটি অফিসার এসআই আদনান আমাকে বলল যে মার্কেট মালিক মনির হোসেন যে কাজ করেছে এটা খুব অন্যায় করেছে আমি ওনাকে এখন পেলে গ্রেফতার করে নিয়ে যেতাম এখনই আপনি নরসিংদী মডেল থানায় যান ওসি সাহেবকে বিষয়টি জানান তারপর আমি নরসিংদী মডেল থানায় সাড়ে সাতটায় আমার সাথে একজন সাংবাদিককে সাথে নিয়ে যাই এবং নরসিংদী মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব আবুল হোসেন ভূঁইয়াকে বিষয়টা খুলে বলি তখন তিনি এসআই মনিরকে শীঘ্রই এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।

Daily Frontier News