জামাল উদ্দিন স্বপন কুমিল্লা
কেচো খুজতে সাপ বেরিয়ে এসেছে। কুমিল্লা জেলার লাকসাম পশ্চিমগাঁয়ের নওয়াব ফয়জুন্নেছার সমৃতি বিজড়িত বাড়ী ও ওয়াকফকৃত সম্পতি নিয়ে ছিনিমিনি খেলার গডফাদার সবুজ ও বিপু এখন মিডিয়া ট্রায়েলের মুখোমুখি।এখন ঘুম হারাম হয়ে গেছে ভূমিদস্যুদের। ম্যানেজ করার জন্য শুরু করেছে তারা দৌঁড়ঝাঁপ।
গত ১ ডিসেম্বর ২০২২ পশ্চিমর্গাওবাসীর ব্যানারে পৌরসভার স্থানীয় কাউসিলারের ব্যবস্থাপনায় ভ’মিদস্যুদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। যাতে পৌর মেয়র, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, কলেজের অধ্যক্ষ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-শিক্ষক-অবিভাবক ও স্থানীয় জনগন অংশ গ্রহন করে। উপস্থিত সবাই ফয়জুন্নেছার ওয়াকফকৃত সম্পতি উদ্ধারে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা দেন।
সাপ্তাহিক সবুজপত্রের অনুসন্ধানে প্রকাশতি হলে নওয়াব বাড়ীর পুর্ব দিকে প্রবেশ পথের গেইটি জবর দখল ও দেলোয়ার হোসেন সবুজের বসবাড়ী নির্মানের বিষয়টি উন্মোচিত হয়। যা এতোদিন রহস্যজনক কারনে শাক দিয়ে মাছ ডেকে রাখা হয়।। নওয়াব বাড়ীর পাশে সবুজের একটি ওয়েলডিং কারখানা আছে। যা পাকারন্তরে মাদক ব্যবসার গোডাউন হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত ব্যবহার হয়ে আসছে।
ভূমিদস্যু হিসেবে বিপু আলোচনায় থাকলেও সবুজের নাম রাজনৈতিক কারনে অন্তরালে রয়ে যায়। ওয়াকফকৃত জায়গায় সাপ্তাহিক সবুজপত্রে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর সরকারের উচ্চ পর্যায়ে নির্দেশে গত ৪ ডিসেম্বর পূর্ব দিকের বন্ধ গেইটি খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু গেটের সামনে ছৈয়দ আলী মিয়ার অর্ধসমাপ্ত নির্মিত বাড়ীটি বিষফোঁড়া হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। গেটের উত্তর পাশে অবৈধভাবে নির্মিত ৫ তলার বাড়ীটি দেলোয়ার হোসেন সবুজের তত্বাবধানে এখনো বহাল তরিয়ে। বাড়ীটিতে সবুজদের ছত্রছায়ায় কয়েকটি পরিবার এখনও বসবাস করছে। মন্ত্রী মো: তাজুল ইসলামের নির্দেশে প্রশাসনর এ বাড়ীর কাজ র্দীঘদিন বন্ধ রাখেন। কিন্তু গত বছর দেলোয়ার হোসেন সবুজের তত্বাবধানে আবার কাজ শুরু হলে প্রশাসন রহস্যজনক কারনে নিরবতা পালন করেন। যা খতিয়ে দেখা দরকার।
প্রশ্ন হচ্ছে, এই দুটি অবৈধ স্থাপনা ও বিপুর বাড়ীটি কাদের পৃষ্ঠপোথকতায় মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে। অবিভাবক হিসেবে পৌরসভার মেয়র আবুল খায়ের কি দায় এড়াতে পারবেন ? কারন ভবন মালিকরা যথাযথভাবে প্লানের জন্য পৌরসভার আবেদন করলে মেয়র সাহেব হাসিমুখে তা অনুমোদন করেন। কিন্তু এখন মানববন্ধনের ব্যানার নিয়ে হুক্কার দেওয়াটা কতটুক যুক্তি সঙ্গত ? তৎকালীন কাউন্সিলার আবদুল আলিম দিদারের বিরুদ্ধে এই ভবনগুলো নির্মানে মেয়রের কানামাছি খেলার অভিযোগ রয়েছে। তিনি সকালের কাজ বন্দের মহড়া দিতেন। আবার রাতে আবার দাঁড়িয়ে থেকে কাজ চালিয়ে যেতে সাহস যোগান বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। দেলোয়ার হোসেন সবুজ নওয়াব বাড়ী মসজিদের পুকুর বহুবছর যাবত নিজের কব্জায় রেখেছেন। চার ঘাটলা দিঘীও তার দখলে।ভ’মিদস্যু বিপু অত্যান্ত সুকৌশলে মোতয়াল্লী সৈয়দ মাছুদুল হক ও তার ভাই কামরুল হকের কাঁধে বন্দুক রেখে ওয়াকফ এস্টের জাগায় কেনা-বেচা শুরু করেন। এ তৎপরতা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি অবিলম্বের নওয়াব বাড়ীতে সরকারের ঘোষিত যাদুঘরের কর্মকান্ড চালু হোক। তারা এব্যপারে মাননীয় এল. জি. আর. ডি. মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য জনাব মো:তাজুল ইসলামের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও তত্বাবধান কামান করেন।
Copyright © 2026 Daily Frontier News | Design & Developed By: ZamZam Graphics