শাহীন বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি।।
তালার কিসমতঘোনা গ্রামে মৎস্য ঘের বিরোধকে কেন্দ্র করে দিদারুল মোড়ল নামের ৪র্থ শ্রেনীর এক সরকারী কর্মচারীকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠছে।ঘটনাটি ঘটেছে, তালা উপজেলার কেসমতঘোনা এলাকায়।
গত ৪ নভেম্বর দুপুরে তালার কেসমত ঘোনা গ্রামে দিদারুল মোড়লের মৎস্য ঘেরের ভেড়ী থেকে ঋষিপাড়ার খৃষ্টান মিশনের বাথরুমের পাশ থেকে।তালা থানার এসআই নাসির উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ২টি গাঁজা গাছ উদ্ধার করে।
বিষয়টি খোঁজ নিতে ঐ দিন সন্ধায়
ঘের মালিক দিদারুল মোড়ল থানায় গেলে একটি কুচক্রী মহলের ইন্দনে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয় বলে অভিযোগ পরিবারের সদস্য দের।
সুলতাল বিশ্বাস বলেন
কিসমতঘোনা বিলে একটি মৎস্য ঘের ডিড নেয় পার্শ্ববর্তী দেওয়ানীপাড়া গ্রামের এলাহী বক্সের ছেলে দিদারুল মোড়ল।তিনি ঘেরে ঠিকমত আসে না। মাঝেমধ্যে আসলেও তিনি ঘেরের একপাশে একটু বসে বাসায় চলে যান ঘের দেখাশুনা করেন তার রাখা দিন মুজুরেরা।
এ বিষয় দেওয়ানী পাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য সিকান্দার আলী মোড়ল জানান পরিত্যাক্ত সীমান্ত এলাকার পাশ থেকে গাজা গাছ উদ্ধার করা হয়েছে।
এলাকার একটি কুচক্রী মহলের ইন্দনে পার্শ্ববর্তী ঘের মালিক দিদারুল মোড়লকে ফাঁসানো হয়েছে দাবী।
চতুর্থ শ্রেণীর সরকারি কর্মচারী দিদারুল মোড়ল, গত ৪/৫ মাস পূর্বে ঘেরটি হারি নিয়েছে, কিন্তু গাঁজা গাছটির বয়স ১ বছর হতে পারে বলে জানান তিনি।
এদিকে ওই গ্রামের মহাদেব দাস জানান ঘেরে থাকা তার ১০ শতক জমি সাত বছরের জন্য নুর ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে হারি প্রদান করেন।
নুর ইসলাম পরে জমি হাত বদল করেন। চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী দিদারুল ঐ ঘেরের জমি হারি করে ঘের পরিচালনা করতেন।
এলাকার একাধিক মানুষ জানায়,দিদারুল একটি ভালো ছেলে আমরা মনে করি প্রতিপক্ষরা পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। আমরা প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানায় বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক।
তালা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চৌধুরী রেজাউল করিম বলেন, তার ঘেরের পাশ থেকে ২টি, গাঁজা গাছ উদ্ধারের ঘটনায় ঘের মালিক দিদারকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
Copyright © 2026 Daily Frontier News | Design & Developed By: ZamZam Graphics