Daily Frontier News
Daily Frontier News

আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও ইমারত নির্মানে পায়তারা

আব্দুল হান্নান নাসিরনগর ব্রাহ্মণবাড়িয়া 

 

ঢাকা সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোড খাঁটিহাতা মৌজায় বিএস ৯৮ দাগের প্রায় তিন শতাংশ নাল জায়গা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ চলে আসছিল দীর্ঘদিন যাবৎ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সরাইল উপজেলার কুট্রাপাড়া গ্রামের গোলাম উল্লাহ’র ছেলে কামরুল হোসেন ও একই এলাকার আব্দুল কবিরের ছেলে আবুল বাশারের মধ্যে ২ শতক ৯০ পয়েন্ট জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল দীর্ঘদিন যাবৎ। উভয় পক্ষই জায়গাটি নিজেদের বলে দাবি করে।

ভুক্তভোগী মোঃ কামরুল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, সে গত ২৬ জুলাই ২০২২ইং তারিখ থেকে খরিদ সূত্রে ২.৯০ শতাংশ জায়গা ভোগ করে আসছে। গত ৩০ নভেম্বর সকাল আনুমানিক ১০ টার দিকে আবুল বাশার কিছু লোকজন তার জায়গা জোর পূর্বক দখল নিতে আসে। জায়গাটি জোর পূর্বক দখল করে এখানে দেয়াল নির্মাণের চেষ্টা চালায় আবুল বাশার। বিভিন্ন সময় আবুল বাশার কে এলাকার শালিশ কারকদের নিয়ে মিমাংসার চেষ্টা করেও সমাধান করা সম্ভব হয় নি।
এরপর বাধ্য হয়ে কামরুল হোসেন আদালতের দারস্থ হলে আদালত গত ০১ ডিসেম্বর জায়গায়টির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। গত শুক্রবার সদর মডেল থানার উপ পরিদর্শক মোঃ লেবু মিয়া সংগীয় ফোর্স আদালতের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ঘটনা স্থলে এসে কাজ করতে থাকা নির্মাণ শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যান। পুলিশ চলে যাবার পর আবুল বাসার ও তার ছোট ভাই রতন শহর থেকে লোকজন এনে ১০ টি মোটর বাইক নিয়ে মহড়া দেন কামরুল ও তার পরিবারের সদস্যদের হুমকি প্রদান করেন। ভুক্তভোগী কামরুল তার পরিবারের সদস্যরা আতংকে মধ্যে আছেন।তিনি আরও বলেন আমি খরিদ সূত্রে এই জায়গার মালিক। তাদের সাথে এই জায়গা নিয়ে বহুবার সালিশ বৈঠক হয়েছে তারা মানে না। এর আগে সালিশ করে আমাকে যায়গা বুঝিয়ে দিয়ে গেলে আমি কাজ করতে যাই। তখন তারা আবার বাধা দেয়।

এ বিষযে জানতে চাইলে আবুল বাসার বলেন জায়গার মালিক আমি কামরুল না।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমরানুল ইসলাম বলেন, ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে আইনআনুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Daily Frontier News